শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক::
সাহিত্যে এবছর দেওয়া হবে দুটি নোবেল পুরস্কার। যার মধ্যে একটি হচ্ছে গতবছর সুইডিশ একাডেমির সদস্যদের #MeToo (যৌন কেলেঙ্কারি) স্ক্যান্ডাল ও অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থগিত হওয়া একটি। সুইডিস অ্যাকাডেমি গত মঙ্গলবার এমন ঘোষণা দেয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে সুইডিশ অ্যাকাডেমি যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগের কারণে গত বছরের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার স্থগিত রাখে। অ্যাকাডেমির সদস্য লেখক ক্যাটারিনা ফ্রোসটেনসনের স্বামী অ্যাকাডেমির ফটোগ্রাফার জেন ক্লদ আর্নল্ডের বিরুদ্ধে ১৮ জন নারী যৌন নির্জাতনের অভিযোগ আনে। যদিও জেন ক্লদ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে। আর্নল্ডের বিরুদ্ধে রয়েছে তথ্য ফাঁসেরও অভিযোগ। গতবছর তিনি পুরস্কার প্রাপ্তদের নাম আগেই প্রকাশ করে দেন এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে। জানা যায় হ্যারল্ট প্রিন্টার ও বব ডিলানের নোবেল প্রাপ্তির খবর অ্যাকাডেমি প্রকাশের আগেই তাদের কাছে পৌঁছে যায়। এ ঘটনায় পদত্যাগ করেন ক্যাটারিনা। পরে ১৮ সদস্যের কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন আরো তিন জন সদস্য। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বছর স্থগিত রাখা হয় সাহিত্যের নোবেল পুরস্কার। পরিবর্তন আনা হয় সুইডিস অ্যাকাডেমির কমিটিতে। নেওয়া হয় পাঁচজন সতন্ত্র সদস্য।
অ্যাকাডেমির একাডেমির স্থায়ী সেক্রেটারি এন্ডার্স অলসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পুরোপুরি আস্থা ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। তবে এখন আমাদের ভাবমূর্তি আগের চেয়ে ভালো। পরিকল্পিত সংস্কার করা গেছে। সুইডিশ অ্যাকাডেমি গতবছরের পরিস্থিতি শুধু ফেলেই আসেনি, সামনের দিনগুলাতে আরও ভালোভাবে কাজ করার জন্য তৈরি হয়েছে।’
এই কেলেঙ্কারীর পর সুইডিস সোসাইটির ১০০ সদস্য “নিউ একাডেমি প্রাইজ” গঠন করা হয়। এই পুরস্কার প্রদানের প্রক্রিয়া সুইডিশ একাডেমির মতো গোপনীয় নয়। নোবেলের শূন্যতা ঢাকতে চালু হওয়া এই পুরস্কার পান গুয়াদেলোপিয়ান লেখক মার্সি কোন্ডে।